পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় আইনানুগ সেবাসমূহ প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ্য, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। ১৯৮৯ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর সৃষ্টির পর থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন সমূহের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা এই বিভাগের পরিবেশ উন্নয়ন, প্রতিবেশের সুরক্ষা ও পরিবেশ দুষণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সীমিত জনবল নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। এই অধিদপ্তরের লক্ষ্য সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ জাতির সামনে উপহার দেওয়া । আন্তর্ব্যক্তিক যোগাযোগকে সীমিত পর্যায়ে এনে যান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যম সমূহকে উৎসাহিত করে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনার ওয়েব সাইটের চলার পথ শুরু হলো । নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধঃ
পরিবেশ অধিদপ্তর,খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়
জলবায়ু পরিবর্তন ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সুপেয় পানি সংকট
ড. তরুণ কান্তি শিকদার
ভুমিকাঃ
পানি প্রকৃতির এক অপার দান এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংরক্ষণের মৌলিক উপাদান। পানির অপর নাম জীবন। মানুষ সহ পৃথিবীর যে কোন জীবন্ত প্রাণীর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পানি ছাড়া জীবন ধারণ অসম্ভব ব্যাপার। পানির রাসায়নিক গঠন হচ্ছে দুই অনু হাইড্রোজেন ও এক অনু অক্সিজেনের সম্মিলন। পরীক্ষাগারে দুই অনু হাইড্রোজেনের সাথে এক অনু অক্সিজেনের মিলন ঘটিয়ে এক অনু পানি উৎপাদন করা সম্ভব হলেও পৃথিবীর ৭ শত কোটি মানুষের জন্য পরীক্ষাগারে পানি উৎপাদন করে সরবরাহ করা কল্পনাতীত বিষয়। এজন্য একমাত্র আধার প্রকৃতির দানের উপর আমরা নির্ভরশীল। পানির সাধারণত তিন অবস্থান। হিমবাহ ও মেরু অঞ্চলে বরফের কঠিন আস্তরণ, ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগে নদী, সমুদ্র ও মাটির নীচের তরল পানি এবং তাপ ও চাপের ফলে বায়ু জলীয় বাষ্প এই তিন অবস্থায় পানি
পানির পরিমানঃ
পৃথিবীর স্থল ভাগের তুলনায় দুই ভাগের তিন ভাগই পানি। ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগে ৭০.৯০ ভাগ পানির অবস্থান। ৭টি মহাসাগর, সাগর, নদীনালা, হিমবাহ, লেক ও পুকুর ইত্যাদিতে পানি বিদ্যামান। কিন্তুু্ এই সব পানি পানের যোগ্য নয়। ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির ৯৭%-ই পানের অযোগ্য বা সমুদ্রের পানি। বাকী ৩% পানির সবই সুপেয় পানি নয়। এর মধ্যে ৩০.১% পানির অবস্থান ভুপৃষ্ঠের নীচে হিমবাহে আছে ৬৮.৭% পানি এবং অন্যান্য অবস্থানে আছে ০.৯% পানি। আবার উপরি ভাগের পানি (অর্থাৎ ফ্রেশ সারফেস ওয়াটার) এর মধ্যে ২% নদীতে, ১১% নিম্নজলাভূমি এবং ৮৭% হ্রদ অবস্থান। ভূ উপরিভাগের নদী নালা মিঠা পানির আধার হলেও এ সকল পানি সুপেয় নয়। বিশ্বে সুপেয় পানির অন্যতম আধার হলো মাটির নীচের aquifer গুলো । যাতে পানির পরিমান মাত্র ১.৬%। সম্প্রতি এই পানির একটি বড় অংশ বিষাক্ত আর্সেনিক দ্বারা দূষিত হওয়ায় পানের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে। বিস্তারিত
























